আজ হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গনহত্যা দিবস। ১৯৮৮ সালের ৮ আগষ্ট, ৯ আগষ্ট, ১০ আগষ্ট ঘটে হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গণহত্যা। এই গণহত্যায় ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালীতে বাঙ্গালীদের গ্রামগুলোতে অগ্নি সংযোগ সহ লুটতরাজ, হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ, নারকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো। এই গনহত্যায় ৫০০ জনের অধিক নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীকে নির্মম ভাবে হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ ও পরে হত্যা, আহত করা হয়েছে আরও ৮০০ জনের অধিক, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো শত শত বাঙ্গালীকে। নিহতদের সিংহ ভাগ বৃদ্ধ, নারী ও শিশু। গনহত্যার পর ঐ অঞ্চল আজ পাহাড়ি লোকালয়।
গণহত্যা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গণহত্যা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৭
সোমবার, ২৯ মে, ২০১৭
পার্বত্য বাঙালীরা আজও ভুলেনি ভূষণছড়ার সেই অগ্নিকাণ্ড ও গণহত্যার শোকাবহ দিনের কথা
১৯৮৪ সালের ৩১ মে দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা ৩০মিনিট পর্যন্ত সময়ে ঘুমন্ত মানুষের উপর রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার ভূষণছড়া ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় শান্তি বাহিনীর এরিয়া কমান্ডার তথাকথিত মেজর রাজেশ (আসল নাম- মনিস্বপন দেওয়ান) এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায় ভূষণছড়া গণহত্যা করে ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। সেদিন বাঙ্গালীদের প্রত্যেকটি গ্রামে অগ্নি সংযোগ সহ লুটতরাজ, সামনে বাঙ্গালী যাকে পেয়েছে তাকেই হত্যা করেছে, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ, নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। যে ঘটনার মাধ্যমে মাত্র কয়েক ঘন্টা সময়ে ১৪৫০ জনের অধিক নারী, শিশু, আবাল-বৃদ্ধ বনিতা নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়েছে, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ ও পরে হত্যা, আহত করা হয়েছে আরও সহস্রাধিক, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো কয়েক হাজার বাঙ্গালীকে।
১৯৮৪ সালের ৩১ মে দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা ৩০মিনিট পর্যন্ত সময়ে ঘুমন্ত মানুষের উপর রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার ভূষণছড়া ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় শান্তি বাহিনীর এরিয়া কমান্ডার তথাকথিত মেজর রাজেশ (আসল নাম- মনিস্বপন দেওয়ান) এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায় ভূষণছড়া গণহত্যা করে ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। সেদিন বাঙ্গালীদের প্রত্যেকটি গ্রামে অগ্নি সংযোগ সহ লুটতরাজ, সামনে বাঙ্গালী যাকে পেয়েছে তাকেই হত্যা করেছে, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ, নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। যে ঘটনার মাধ্যমে মাত্র কয়েক ঘন্টা সময়ে ১৪৫০ জনের অধিক নারী, শিশু, আবাল-বৃদ্ধ বনিতা নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়েছে, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ ও পরে হত্যা, আহত করা হয়েছে আরও সহস্রাধিক, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো কয়েক হাজার বাঙ্গালীকে।
বাঙ্গালী গণহত্যার তারিখ
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়না কর্তৃক পরিচালিত কতিপয় বাঙ্গালী গণহত্যার তারিখ: প্রথমে খুব লজ্জার সাথে বলতে হচ্ছে যে, বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ (শতকরা ৯৯.৫ ভাগ) বাঙ্গালী জাতি। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে এযাবৎকালে বেশ কয়েকটি গণহত্যার শিকার হয়েছে আমাদের এ বাঙ্গালী জাতি। বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কতিপয় গণহত্যার ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের তরুনদের না জানার লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকে হয়। এই না জানার লজ্জাকে দুর করতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গডফাদার খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা শান্তি চুক্তি পূর্ববর্তী সময়ে, প্রায় ৩৮ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যা করে। আসুন এক নজরে দেখে নেই সে সকল গণহত্যার চিত্র:
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়না কর্তৃক পরিচালিত কতিপয় বাঙ্গালী গণহত্যার তারিখ: প্রথমে খুব লজ্জার সাথে বলতে হচ্ছে যে, বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ (শতকরা ৯৯.৫ ভাগ) বাঙ্গালী জাতি। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে এযাবৎকালে বেশ কয়েকটি গণহত্যার শিকার হয়েছে আমাদের এ বাঙ্গালী জাতি। বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কতিপয় গণহত্যার ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের তরুনদের না জানার লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকে হয়। এই না জানার লজ্জাকে দুর করতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গডফাদার খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা শান্তি চুক্তি পূর্ববর্তী সময়ে, প্রায় ৩৮ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যা করে। আসুন এক নজরে দেখে নেই সে সকল গণহত্যার চিত্র:
রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭
২৯ এপ্রিল পার্বত্য বাঙ্গালী গণহত্যা দিবসের জাতীয় স্বীকৃতির দাবি

২৯শে এপ্রিল খাগড়াছড়িতে গণহত্যা দিবস। ১৯৮৬ সালের ২৯শে এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত মোট ৪ ঘন্টা সময়ে খাগড়াছড়ি‘র পানছড়ি, মাটিরাংগা, দিঘীনালা উপজেলা‘র প্রত্যেকটি বাঙ্গালি গ্রামে অগ্নি সংযোগসহ নির্বাচারে বাঙ্গালী শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষ, আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করেছে ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। বর্তমানে পার্বত্য চট্রগ্রাম জন সংহতি সমিতি (জেএসএস)‘র নামে পরিচিত । তৎসময়ে বে-সরকারী হিসাবে মাত্র ৪ ঘন্টা সময়ে পানছড়ি, মাটিরাংগা, দিঘীনালা উপজেলা‘র ১৮টি ইউনিয়নের ৮১৫টি গ্রামের সবকটি নিরস্ত্র ও নিরীহ বাঙ্গালী বাড়িতে ২৪শত ৪০জনের অধীক বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়েছে, আহত করা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫শত জনকে, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো কয়েক হাজার বাঙ্গালীকে। ২২ হাজার ৬শত ৯২টি বাড়ি সম্পূর্ন ভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে হাজার হাজার পরিবার।
শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৭
আজ পানছড়ি গণহত্যা দিবস, এখনো বিচার পায়নি পার্বত্য বাঙ্গালীরা
আজ ২৯শে এপ্রিল পানছড়ি গণহত্য দিবস। ১৯৮৬ সালের ২৯শে এপ্রিল দিবাগত রাঁত আনুমানি ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত মোট ৪ঘন্টা সময়ে খাগড়াছড়ি‘র পানছড়ি উপজেলা‘র ১নং লোগাং ইউপি, ৩নং পানছড়ি সদর ইউপি‘র ও ৪নং লতিবান ইউপি (বর্তমানে ৫নং উল্টাছড়ি ইউপি)‘র বাঙ্গালি গ্রামে অগ্নি সংযোগসহ নির্বাচারে বাঙ্গালী শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষ, আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করেছে সন্তু লারমার।নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্রগ্রাম জন সংহতি সমিতি (জেএসএস)‘র বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। তৎ সময়ে বে-সরকারী হিসাবে মাত্র ৪ঘন্টা সময়ে নিরস্ত্র ও নিরীহ ৮শত ৫৩জন বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়েছে, আহত করা হয়েছে প্রায় ৫শত জনকে, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো কয়েক হাজার বাঙ্গালীকে। ৬হাজার ২শত ৪০টি বাড়ি সম্পূর্ন ভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে হাজার হাজার পরিবার। সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন শান্তি বাহিনী‘র গেরিলা যোদ্ধারা সেই হামলায় এত গুলো মানুষকে হত্যা করতে একটি বুলেটও ব্যবহার করেনি। হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে, জবাই করে, আগুনে পুড়িয়ে, শিশুদেরকে পায়ে ধরে গাছের সাথে বাড়ি দিয়ে, বেনেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খোঁচিয়ে খোঁচিয়ে হত্যা করেছিল। প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সে দিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি যারা স্ব-চোখে খে দেখেছে বা বেচে যাওয়া কিছু কিছু সাক্ষী আজো আছে, কিন্তু ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও তারা শিউরে উঠে। এই হত্যা কান্ডের মধ্যে দিয়ে নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো ৩৮হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা।
শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭
আজ সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিলের অগ্নিকাণ্ড ও গণহত্যার শোকাবহ দিন
আজ সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিলের অগ্নিকাণ্ড ও গণহত্যার শোকাবহ দিন। পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকার বঞ্চিত বাঙ্গালী জনগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার কতৃক চরমভাবে অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত, পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ঠ এনজিও সমূহের একচোখা নীতি, সন্তু লারমা ও প্রসীত খীসাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) 'এর নিপিড়িত, নির্যাতিত ও বর্বরতম সন্ত্রাসের নির্মম ও অসহায় শিকার নির্যাতিত, নিপিড়িত, অধিকার বঞ্চিত, অসহায়, নিরীহ ও নিরস্র বাঙ্গালীরা আজও ভুলেনি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি, দিঘীনালা ও মাটিরাংগা উপজেলার সকল বাঙ্গালী গ্রামগুলোতে ২৯ এপ্রিলের সেই অগ্নিকাণ্ড ও গণহত্যার শোকাবহ দিনের কথা। প্রথমে খুব লজ্জার সাথে বলতে হচ্ছে যে, বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ (শতকরা ৯৯.৫ ভাগ) বাঙ্গালী জাতি। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে এযাবৎকালে বেশ কয়েকটি গণহত্যার শিকার হয়েছে আমাদের এ বাঙ্গালী জাতি। বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কতিপয় গণহত্যার ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের তরুনদের না জানার লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকে হয়। এই না জানার লজ্জাকে দুর করতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গডফাদার খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা শান্তি চুক্তি পূর্ববর্তী সময়ে, প্রায় ৩৮ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যা করে।
বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭
বাঙ্গালীরা আজও ভুলেনি ২৯ এপ্রিলের সেই অগ্নিকাণ্ড ও গণহত্যার শোকাবহ দিনের কথা
পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকার বঞ্চিত বাঙ্গালী জনগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার কতৃক চরমভাবে অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত, পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ঠ এনজিও সমূহের একচোখা নীতি, সন্তু লারমা ও প্রসীত খীসাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) 'এর নিপিড়িত, নির্যাতিত ও বর্বরতম সন্ত্রাসের নির্মম ও অসহায় শিকার নির্যাতিত, নিপিড়িত, অধিকার বঞ্চিত, অসহায়, নিরীহ ও নিরস্র বাঙ্গালীরা আজও ভুলেনি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি, দিঘীনালা ও মাটিরাংগা উপজেলার সকল বাঙ্গালী গ্রামগুলোতে ২৯ এপ্রিলের সেই অগ্নিকাণ্ড ও গণহত্যার শোকাবহ দিনের কথা। প্রথমে খুব লজ্জার সাথে বলতে হচ্ছে যে, বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ (শতকরা ৯৯.৫ ভাগ) বাঙ্গালী জাতি। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামে এযাবৎকালে বেশ কয়েকটি গণহত্যার শিকার হয়েছে আমাদের এ বাঙ্গালী জাতি। বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কতিপয় গণহত্যার ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের তরুনদের না জানার লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকে হয়। এই না জানার লজ্জাকে দুর করতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গডফাদার খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা শান্তি চুক্তি পূর্ববর্তী সময়ে, প্রায় ৩৮ হাজার নিরীহ বাঙ্গালী হত্যা করে।
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
জুরাইছড়ি গণহত্যা
২১। জুরাইছড়ি গণহত্যা:
রাঙ্গামাটি জেলার জুরাইছড়ি থানার পাহাড়ি এলাকায় শান্তি বাহিনীর এরিয়া কমান্ডার তথাকথিত মেজর পেলে (আসল নাম- তাতিন্দ্র লাল চাকমা) একটি সেনা টহলের উপর এ্যাম্বুশ করে মেজর মহসীন সহ ৩০ জন সেনা সদস্য ও ৭২ জন সাধারণ বাঙ্গালীকে হত্যা করে। ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা দা দিয়ে কুপিয়ে নিহতদের পা কেটে পায়ের বুটগুলো আলাদা করে নেয়েছিল। বর্তমানে সে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস - এমএন লারমা) গ্রুপের সাধারন সম্পাদক।
পাকুয়াখালী ট্রাজেডি, ১৯৯৬
২০। পাকুয়াখালী ট্রাজেডি:
১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে নীরিহ এবং নিরস্র বাঙ্গালী কাঠুরিয়াদের উপর নির্মম হত্যাকান্ড চালিয়ে তাদের বিবৎস মানসিকতার এক জঘণ্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। স্বাধীনতার পর পরই খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শুরু করে। শ্রমই ছিল তাদের জীবিকা নির্বাহের উপায়। রুজি রোজগারের সহজ বিকল্প কোন উপায় না থাকায় বনের গাছ, বাঁশ আহরণেই তারা বাধ্য ছিল। শান্তি বাহিনী মিটিং করার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ডেকে নিয়ে ৩৫ জন নিরীহ বাঙ্গালী কাঠুরিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। অবাক করার বিষয় হচ্ছে যে, শান্তি বাহিনী সেদিন এতগুলো মানুষকে হত্যা করতে একটি বুলেটও ব্যবহার করেনি। ৩৫টি মাথা একটি বস্তায় করে আনা হয়েছিল লংগদু থানা সদরে। প্রতিটি লাশের পুরুষাঙ্গ কেটে মাথাগুলোর মুখে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল।
নানিয়ারচর গনহত্যা, ১৯৯৩
![]() |
| নানিয়ারচর গনহত্যার ছবি |
ঘটনার ইতিহাস : মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরাম, আসাম, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল, ত্রিপুরা থেকে বিতাড়িত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে আসা উপজাতি Refugee বা শরণার্থী বা আশ্রয়প্রার্থী বা সেটেলার বা উদ্বাস্তু বা নতুন উন্নয়নশীল দেশে বাস করতে আসা বিদেশী বসতকার বা অনুপ্রবেশকারী বা বসতিস্থাপনকারী কর্তৃক আরেকবার পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটির নানিয়ারচরে বসবাসরত বাঙ্গালীর রক্তে ভাসিয়ে দিল পার্বত্য চট্টগ্রাম। এটি হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) কর্তৃক ১৯তম বাঙ্গালী গণহত্যা, যা নানিয়ারচর গণহত্যা ১৯৯৩ নামে পরিচিত। গণহত্যা হলো একটি জাতি গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়কে নির্মূল করণ প্রক্রিয়া ৷ সেহেতু উগ্রবাদি উপজাতি জঙ্গি বা সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামে একচেটিয়া তাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালী নির্মূল করণের লক্ষ্যে পাহাড়ের বাঙ্গালীদের হত্যা করেছে৷ তারা মিয়ানমার ও ভারতের রিফিউজি বা অনুপ্রবেশকারী বা বসতিস্থাপনকারী বা সেটেলার উগ্রবাদি উপজাতি জঙ্গি। কথিত আছে যে, উগ্রবাদি উপজাতিরা ভারতের মিজোরাম প্রদেশ থেকে এসে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালীদের উপর হামলা চালায় দেখে তাদেরকে মিজো বলা হতো। আসলে তারা মিজো নয়, তারা হলো উগ্রবাদি উপজাতি জঙ্গি সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সংগঠক ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার উগ্রবাদি জঙ্গি বাহিনী বা শান্তি বাহিনী বা গেরিলা বাহিনী। উগ্রবাদি উপজাতি জঙ্গি বা সন্ত্রাসীরা নিরীহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালীদের আক্রমণ করা, তাদের হত্যা করা, অপহরণ ও গুম করা, তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, তাদের সম্পত্তি লুঠপাট বা ঘর-বাড়ি লুটতরাজ করে সম্পূর্ন ভাবে পুড়িয়ে দেওয়া, তাদের গৃহহীন করার অসংখ্য নজির বাংলাদেশ আমলের বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি। এসবই এখানকার নিয়মিত ঘটনা। আবার কোনো কোনো সময় উগ্র উপজাতিরাই বিভিন্ন অজুহাত তৈরি করে। তারপর শুরু হয় এসব তাণ্ডবলীলা।
লোগাং গনহত্যা, ১৯৯২
১৮। লোগাং গনহত্যা: খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় লোগাং একটি ইউনিয়নের নাম। লোগাং শব্দটির অর্থ রক্তের নদী। ১৯৯২ সালে ১০ই এপ্রিল লোগাং তার নামের সার্থকতা রেখেছিল। সেই দিনে লোগাং এলাকাটি সত্যিই বাঙালীর রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল, আপনারা জানেন কি সেটা কাদের রক্ত ছিল? উপজাতিদের ভাষায় সেটেলার তথা বাঙালীর রক্ত। আসলে কি ঘটেছিল সেদিন? সেইদিন লোগাং এ এক অমানবিক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। সেইদিন বাঙ্গালী নারী তার গবাদি পশু চড়াতে গ্রামের অদূরে গিয়েছিল সেখানে শান্তি বাহিনী ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা তাকে গণধর্ষণ শেষে হত্যা করে। এতে আরেক বাঙ্গালী বাধা দিলে তাকে সেখানেই হত্যা করা হয়। বাঙ্গালীরা প্রতিবাদ জানালেও এর কোন সুষ্ঠু সমাধান হয়নি। উল্টো পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা বাঙ্গালী গ্রামে অগ্নি সংযোগ সহ লুটতরাজ, সামনে বাঙ্গালী যাকে পেয়েছে তাকেই হত্যা করেছে, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ, নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো।
মাল্যে গনহত্যা, ১৯৯২
![]() |
| মাল্য গণহত্যার ছবি |
ঘটনার ইতিহাস : মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরাম, আসাম, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল, ত্রিপুরা থেকে বিতাড়িত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে আসা উপজাতি Refugee বা শরণার্থী বা আশ্রয়প্রার্থী বা সেটেলার বা উদ্বাস্তু বা নতুন উন্নয়নশীল দেশে বাস করতে আসা বিদেশী বসতকার বা অনুপ্রবেশকারী বা বসতিস্থাপনকারী কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের মধ্যেকার বিরোধের ১৭তম বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৯২ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মাল্য গণহত্যার মাধ্যমে। যা মাল্যে গনহত্যা, ১৯৯২ নামে পরিচিত। গণহত্যা হলো একটি জাতি গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়কে নির্মূলকরণ প্রক্রিয়া ৷ সেহেতু উগ্রবাদি/মৌলবাদি উপজাতি জঙ্গি সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামে একচেটিয়া তাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালী নির্মূলকরণের লক্ষ্যে পাহাড়ের বাঙালীদের হত্যা করেছে ৷ কথিত আছে যে, উগ্রবাদি/মৌলবাদি উপজাতিরা ভারতের মিজোরাম প্রদেশ থেকে এসে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালীদের উপর হামলা চালায় দেখে তাদেরকে মিজো বলা হতো। আসলে তারা মিজো নয়, তারা হলো উগ্রবাদি/মৌলবাদি উপজাতি জঙ্গি সন্ত্রাসী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সংগঠক ৩৮ হাজার বাঙালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার উগ্রবাদি/মৌলবাদি জঙ্গি সন্ত্রাসী বাহিনী বা শান্তি বাহিনী বা গেরিলা বাহিনী।
নাইক্ষ্যাছড়ি গণহত্যা, ১৯৯০
১৬। নাইক্ষ্যাছড়ি গণহত্যা:
১৯৯০ সালের ১৬ এপ্রিল বান্দরবন জেলার নাইক্ষ্যাছড়িতে ১৯ জন বাঙ্গালীকে গুলি করে হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ ও পরে হত্যা, আহত করা হয়েছে আরও ৮৩ জনের অধিক, আরো কয়েক শত বাঙ্গালীকে অপহরণ ও গুম করে ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা। যাদের অপহরণ ও গুম করা হয়েছে তাদের লাশ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
লংগদু গনহত্যা, ১৯৮৯
১৫। লংগদু গনহত্যা, ১৯৮৯: পার্বত্য চট্টগ্রামে চরমভাবে অবহেলিত, সরকারি সুযোগ- সুবিধা বঞ্চিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত, অধিকার বঞ্চিত, বর্বরতম সন্ত্রাসের নির্মম ও অসহায়ের শিকার, নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালীদের খুন করা, তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, তাদের সম্পত্তি লুঠপাট করার জন্য উপজাতি জঙ্গিরা, যারা বেশিরভাগে ক্ষেত্রে মিয়ানমার ও ভারতের রিফিউজি বা অনুপ্রবেশকারী উগ্র উপজাতি জঙ্গি সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সংগঠক ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার জঙ্গি শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা, উগ্র উপজাতি সন্ত্রাসীরা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের হায়নারা নিরীহ বাঙালীদের আক্রমণ করা, লুঠপাট করা এবং হত্যা করার অসংখ্য নজির বাংলাদেশ আমলের বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি। আবার কোনো কোনো সময় উগ্র উপজাতিরাই অজুহাত তৈরি করে। তারপর শুরু হয় তাণ্ডবলীলা। ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়া, ঘরবাড়ি লুঠপাট করা, সুযোগ পেলে হত্যা করা– এসবই নিয়মিত ঘটনা।
হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গনহত্যা, ১৯৮৮
১৪। হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গনহত্যা:
১৯৮৮ সালের ৮ আগষ্ট, ৯ আগষ্ট, ১০ আগষ্ট ঘটে হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গণহত্যা। এই গণহত্যায় ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালীতে বাঙ্গালীদের গ্রামগুলোতে অগ্নি সংযোগ সহ লুটতরাজ, হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ, নারকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো। এই গনহত্যায় ৫০০ জনের অধিক নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীকে নির্মম ভাবে হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ ও পরে হত্যা, আহত করা হয়েছে আরও ৮০০ জনের অধিক, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো শত শত বাঙ্গালীকে। নিহতদের সিংহ ভাগ বৃদ্ধ, নারী ও শিশু। গনহত্যার পর ঐ অঞ্চল আজ পাহাড়ি লোকালয়।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)







