শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

পাহাড়ে শান্তি চুক্তি হলেও অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানী বন্ধ হয়নি



পাহাড়ে শান্তি চুক্তি হলেও অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি এখনো বন্ধ হয়নি। শান্তি ফেরাতে হলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (১২ডিসেম্বর) সকালে রাঙামাটি পৌরসভা মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ স্টিয়ারিং কমিটির সংবাদ সন্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব অভিমত ব্যক্ত করেন। সংগঠনটি নেতারা আরও বলেন, সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের মহড়া, খুন, গুম ও চাঁদাবাজির অভিশাপ থেকে পার্বত্যবাসী এখনো মুক্তি পায়নি। অশান্ত পাহাড়ের শান্তি ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সদস্য মনিুজ্জামান মনির’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন, সংগঠনটির সদস্য এ্যডভোকেট পারভেজ তালুকদার, হবিবুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, রূপ কুমার চাকমা, আলমগীর কবির প্রমূখ।

প্রসঙ্গ: চলতি বছরের গত ১৩নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের স্বার্থ রক্ষার নতুন প্রত্যয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ নামের সংগঠনটির। সংগঠনটিররাঙামাটিতে এটি প্রথম সংবাদ সম্মেলন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি সন্ত্রাসী কর্তৃক বাঙ্গালী গণহত্যা সমূহ:

·      পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি সন্ত্রাসী কর্তৃক বাঙ্গালী গণহত্যা

·     পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি সন্ত্রাসী কর্তৃক সেনাহত্যার ইতিহাস


[লেখাটি আপনার ভাল লেগেছে? তাহলে দয়াকরে গবেষণামূলক ও ইতিহাস ভিত্তিক এই সাইটটি চালিয়ে যেতে সাহায্য করুন। পার্বত্য চট্টগ্রামে অধিকার বঞ্চিত বাঙ্গালী জনগোষ্ঠী সাইটটি পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার কতৃক চরমভাবে অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত, পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ঠ এনজিও সমূহের একচোখা নীতি, সন্তু লারমা ও প্রসীত খীসাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) 'এর নিপিড়িত, নির্যাতিত ও বর্বরতম সন্ত্রাসের নির্মম ও অসহায় শিকার - পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালী জনগোষ্ঠির সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রতম এক প্রয়াস]